
এম জিশান পারভেজ।।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পরিকল্পনা মতো ব্যাটিং করেছিল বাংলাদেশ। শুরুতে দুই ওপেনার ভিত্তি গড়ে দেন। মিডল অর্ডার রান নেয়। শেষ টানেন স্বর্ণা আক্তার। বাংলাদেশ নারী দল ৬ উইকেটে ২৩২ রানের ভালো সংগ্রহ পায়। জবাবে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার ৭৮ রানে ৫ উইকেট তুলেও নিয়েছিল জ্যোতির দল। কিন্তু প্রোটিয়া নারীদের লোয়ার অর্ডারের ধাক্কা সামলানো পারল না মেয়েরা। ৩ বল থাকতে হেরে গেল ৩ উইকেটে।
এর আগে ইংল্যান্ডকে নাগালে পেয়েছিল প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা বাংলাদেশ। আউট না দেওয়া ও স্লগে ভালো বোলিং
করতে না পারায় হেরেছিল বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকা আবার ভারতের বিপক্ষেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছিল। কিন্তু লোয়ারের দৃঢ়তায় দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছিল।
সোমবার ভারতের বিশাখাপত্তনমে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনিংয়ে দলকে ৫৩ রানের জুটি দেন
ফারজানা হক ও রুবায়া হায়দার। রুবায়া ৫২ বলে ২৫ রান করে আউট হন। দুটি চার মারেন তিনি। পরেই সাজঘরে ফেরা ফারজানা ৭৬ বলে ৩০ রান করেন। সেখান থেকে ৭৭ রান যোগ করেন শারমিন সুপ্তা ও জ্যোতি। অধিনায়ক জ্যোতি ফিরে যান ৪২ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে। তার ব্যাট থেকে পাঁচটি চার আসে।
তিনে নামা সুপ্তা ৭৭ বলে ৫০ রান করে আউট হন। তিনি ছয়টি চারের শট মারেন। শেষ দিকে ব্যাট করতে এসে রান বাড়িয়ে নেওয়ার কাজে সফল হন স্বর্ণা আক্তার। স্পিন এই অলরাউন্ডার ৩৫ বলে ৫১ রানের হার না মানা ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে তিনটি করে চার ও ছক্কা আসে। বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডে
ফরম্যাটে দ্রুততম ফিফটির কীর্তিও গড়েন স্বর্ণা। এক ইনিংসে সর্বাধিক ছক্কা মারার রেকর্ডও গড়েন। এছাড়া ঋতু মনি ৮ বলে তিন চারের শটে ১৯ রানের কর্যকরী ইনিংস খেলেন।
জবাবে নামা দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ রানে প্রথম উইকেট হারায়। সেখান থেকে তারা ৫৫ রানের জুটি গড়লেও ২৩ রানের ব্যবধানে হারায় ৪ উইকেট। ৭৮ রানে ৫ উইকেট হয়ে যাওয়া দলের পক্ষে ষষ্ঠ উইকেটে ৮৫ রানের জুটি গড়েন পাঁচে নামা মারিজান ক্যাপ ও সাতে নামা কোয়ি টাইরন। মারিজান ৭১ বলে ৫৬ রান করেন। চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন। টাইরন ৬৯ বলে ছয়টি চার ও এক ছক্কায় ৬২ রান করে
ফেরেন। শেষ টানা ডি ক্লার্ক ২৯ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় ৩৭ রান করেন।