
পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৫ উপলক্ষে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যাত্রী ও যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঈদের আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শনিবার ১০টায় রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, ঈদযাত্রায় ভোগান্তি এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে চলবে ১৭টি ফেরি ও ২০টি লঞ্চ। বিশেষ করে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক পারাপারে থাকবে বিশেষ ব্যবস্থা, যাতে করে পশুবাহী যানবাহনগুলো দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে এবং কোরবানির পশুর সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। এছাড়া বাড়তি ভাড়া নিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিচালনা করা হবে ভ্রাম্যমান আদালত।
সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবু রাসেল, আনসার ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ আনোয়ার হোসেন সরকার, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাহিদুর রহমান, গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম, দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) শ্রীনাথ সাহা, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই) আতাউর রহমান খান, বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, বিআইডব্লিউটিএ টিআই সাগর মল্লিক,
জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি জুয়েল,
বাস মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রমজান আলী, লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদ মল্লিক।
সভায় সংশ্লিষ্টরা বলেন, ঘাট ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় জোরদার করা হবে, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকবে এবং যেকোনো অনিয়ম বা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া বিশেষ করে গরু বোঝাই ট্রাক যেন দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে, সেজন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপারের ব্যবস্থা থাকবে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ঈদের সময় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পায়, তাই ঘাটে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করাই এই প্রস্তুতির মূল লক্ষ্য। সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।